Satyajyoti Bhattacharjee
A year back, when Pentasect was launched, we had this dream, uttered like this way – ‘to showcase the works of known and unknown wordsmiths of the language’. The language implied was Bengali and English. After a year, we are starting with the selected works (7 in all) in three languages – English, Bengali and Assamese.
Mr. Satyajyoti Bhattacharjee is a man of many seasons in all seasons of Life. Apart from his lifelong involvement in education, culture, social work, he continued to do something, very banal and odd-sounding in today’s world: সরস্বতীর সেবা । This means from the standpoint of another Civilization: To be a devotee of the Muse. These works were written over few decades, not for any other purspose than that of self-expression with humility.
The themes are widely varied and readers can see for themselves. For most of the works, we have used brief introduction of the author as in the original edition. One preface was written by Amitabha Choudhury, one by Dr. Usharanjan Bhattacharjee of Guwahati University and another by Pentasect Editor-at-Large Pritam Bhattacharyya
In coming days, we would release excerpts from each book.
We think this humble exercise from us, apart from everything has one benefit: Keeping the books available for generations of readers. Because we have seen that works of many known and unknown wordsmiths have not only become extant but vanished altogether
If you happen to wish works of your own or someone you know to be showcased like this, please let us know here at editor@pentasect.com

কবিতাভ

কবিতা হবে মন্ত্রের মত। একটি কি দুটি শব্দ আমাদের চেতনা নিয়ে যাবে অতীন্দ্রীয় জগতে। শধু তাই নয়, অন্য জগতের আভাষও আনবে কবিতা। সেই আভাষ কিরকম?-‘কিছু পাই অনুমানে, কিছু তার বুঝি না বা’। শ্রীমান সত্যজ্যোতির শতকবিতার শতমূখে প্রশংসা করতে হয়। জাপানিদের এক শ্রেনীর কবিতা আছে, যাকে বলা হয় ‘হাইকু’। এই কবিতাগুলি হাইকুর সমগো্ত্রীয়। শরৎকাল, শুকনো দাল, একটি কাক-এই হচ্ছে হাইকুর উদাহরণ। কিন্তু শ্রীমান সত্যজ্যোতির কবিতা আরও গভীর, আরও হৃদয়স্পর্শী। যে আঁধার আলোর অধিক, সেই আঁধারের অন্তরালে লুকিয়ে থাকা হাসি কান্না প্রেম ভালবাসা ইত্যাদি অবলীলাক্রমে এসে গেছে এই অণুকবিতায়। লেখক তার নাম দিয়েছেন ‘কবিতাভ’। উপযুক্ত নাম। কবিতার আভা ছড়িয়েছে চতুর্দিকে। তার তন্ময় চিন্তায় জরিয়ে নিতে তিনি দয়িতকে দাক দিয়েছেন, নির্মম সুন্দরের আগ্রাসী প্রেমে তিনি পড়েছেন, ঝাঁপিয়ে চুমু খেতেই রক্ত মেখেছেন। অসংখ্য ছবি, অসংখ্য চিত্রকল্প আমাদের মনের গভীরকে নাড়া দেয়। এই ছোট্ট ছোট্ট কবিতায় লাবণ্যে প্রাণ পূর্ণ হয়ে যায়। লেখার চর্চা করে আসছেন লেখক বহুকাল। আমি নির্ধ্বিধায় বলতে পারি এই বই তার সব রচনাকে ছাঁপিয়ে অনন্তের আস্বাদ দিতে পেরেছে। লেখকের জয় হোক।

 

                                          অমিতাভ চৌধুরী
                                      কলিকাতা

নাট্যত্রয়ী

তিনখানা একাঙ্কিকা দিয়ে এই সংকলন পরিকল্পনা করেন সুজিত চৌধুরী। লেখাগুলোর মান নিয়ে আমার নিজেরই যথেষ্ট সংসয় ছিল এবং আছে। বিভাসচন্দ্র দাস এক ফুঁয়ে সেসব উড়িয়ে দিয়ে আমাকে প্রত্যয় এনে দিলেন।
   
‘জনাব’ ও ‘লাশ’- এ দুখানা আমারই দুটো ছোটগল্পের নাট্যরূপ এবং কাহিনীগুলো জীবন থেকেই তুলে আনা। নাটকের প্রয়োজপ্নে একটু পরির্বতন ও পরিবর্ধন করেছি মাত্র।‘একা কুম্ভ’ আমার নাট্যচিন্তার ফসল যা আমাকে ভাবতে সাহায্য করেছে রবীন্দ্রনাথের কবিতা। কাহিনী এতে গৌন।
                                                                 সত্যজ্যোতি ভট্টাচার্য

বাংলা ভাষায় শ্রীশ্রীচণ্ডী

মান যাই হোক, এসব কাজ দৈবী ইচ্ছা ছাড়া হয়না । নানাজনের নানা সাহায্যের ভেতর দিয়ে সে ইচ্ছার প্রকাশ ঘটেছে বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। কাজটা খুব সহজ ছিল না। সংস্কৃত ও বাংলা বাক্যরীতির চরিত্রগত পার্থক্য যে এত বেশি, আগে বুঝতে পারি নি। যে সন্ধি, সমাস, ভাববাচ্যের স্বাভাবিক ও নিরন্তর প্রয়োগ সংস্কৃতভাষার শক্তি ও লাবণ্য, বাংলাভাষার বেলায় তা দুর্বলতা। অতিপ্রয়োগ জলমেষানো দুধের মতো স্বকীয়তা হারায়। অথচ ছন্দের অনতিক্রম্য গণ্ডীর ভেতরে সবকথাকে যথাসম্ভব স্থান করে দিতে গিয়ে তা না করেও উপায় ছিল না। তাছাড়া মন্ত্রগাম্ভীর্জের কথাটাও মাথায় রাখতে হয়েছে। বাংলা ক্রিয়াপদের কথ্য ব্যবহারই মূল লক্ষ্য ছিল। যেখানে তা হল না, পারা গেল না বলেই তা হল না। অর্থাত্  ছন্দের গতি ভেঙে যাওয়ার ভয়েই এটুকু সন্ধি করতে হয়াছে।

                                                সত্যজ্যোতি ভট্টাচার্য

The Deemed Poems

The concept of Deemed Poems reminds me of those four line couplets of Tagore- where profound themes of existence were dealt within narrow narrative boundaries. Surprisingly these poems have a sharpness of their own, in spite of and perhaps due to their strict brevity. It is my hope that readers will enjoy their simplicity, their native freshness and a poignant sadness which is more aesthetic then romantic. The romantic waiting in these couplets may lead us into a mood of melancholy but there are subtle hints-continuous thoughtout –on a celebration of Life and return to Life.

 

                                                                                                         Pritam Bhattacharyya

 

[ The Deemed Poems is the English translation of  Bengali কবিতাভ, translated by author from Bengali to English – Showcase Editor ]                                                                            

যোৰা নাটক

অসমীয়া ভাষাৰ সঙ্গীতময় সৌন্দর্য্যই মোক সদায়েই আকর্ষণ করি আহিছে। সেয়ে এই ভাষাত সাহিত্য চর্চ্চা কৰাৰ ভাব বহুদিনৰ পৰা মনত পোষণ কৰি আছিলো। “ পৃথিবীয়ে বাগৰ সলাইছে” নামৰ এটা নাটকখনিয়ে মোৰ এই আশা বহুপৰিমানে পূৰণ করিলে বুলি মই ভাৱোঁ। আনহাতে অনাঅহমীয়াভাষী লেখকলৈ স্বীকৃ্তি জনাই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রালয়ে এই নাটকখানিক ৰাষ্ট্রীয় পুৰস্কাৰেৰে পুৰস্কৃ্ত কৰা বাবেও মই অতি উৎসাহিত আৰু আনন্দিত হৈছো।

দ্বিতীয়খন সামাজিক নাটক ‘লাচ’ মোৰেই এটি ছুটিগল্পৰ নাট্যৰূপ। এই দুখন নাটক, একেলগ কৰি প্রকাশ কৰাৰ দ্বায়িত্ব ‘করিমগঞ্জ পাইকাৰী সমবায়’ কত্তৃপক্ষই অতি আগ্রহৰে লোৱা বাবে মই তেখেতসকলৰ ওচৰত বিশেষভাবে কৃ্তজ্ঞ।

নাট্যসৃষ্টিৰ এই প্রচেষ্টাত মই কৃ্তকার্য্য হব পাৰিছোনে নাই, সেইটো সহৃদয় পাঠকসকলে বিচাৰ কৰিব।

মোৰ এই নাটক জোৰা ছপা কৰোঁতে বিভিন্ন পর্য্যায়ত যি সকল শুভাকাঙহ্মী ব্যক্তিয়ে সহায়-সহযোগ আগবঢ়ালে তেখেত সকললৈ মোৰ আন্তৰিক কৃ্তজ্ঞতা জ্ঞাপন কৰি্লোঁ।

 

                                          সত্যজ্যোতি ভট্টাচার্য

কিচ্ছা ফুরোলেই মিচ্ছা

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পর্কে বলা হয় যে ‘অবন ঠাকুর ছবি লেখেন’। সত্যজ্যতি বাবুর গল্পগুলো পড়তে পড়তে মনে হয়-তিনিও গল্প লেখেন না, গল্প বলেন। এই সংগ্রহে ইনি মূলতঃ কথক, যে কথকতা শীল্পে পরণত। মূখের ভাষার সঙ্গে বুকের রুধিরের সম্পর্কটা কল্পিত আরোপন নয়, বস্তুতঃ বাক্যের নিঃসরণ ধমনীর প্রবাহের সঙ্গেই সংপৃক্ত। আমাদের ভাষার লোকায়ত রূপের মধ্যে যে ধবনিসৌকর্য অন্তর্লীন, লেখক এখানে তার পূর্ণ সদব্যবহার করেছেন। যে কারণে তার লেখা জলতরঙ্গের মতো একটা টুংটাং সুর অবিরাম বেজে গেল।

                                                                   ডাঃ সুজিত চৌধুরী
                                                                                  করিমগঞ্জ

অবলম্বিত
পুস্তকের নাম ‘অবলম্বিত’। এর ভিত্তি রবীন্দ্রমননের দুটি স্বার্থক দিগদর্শী ক্ষুদ্রায়তন রচনা- ‘শিশুতীর্থ’ ও ‘তোতাকাহানী’। প্রবীন সামাজিক সত্যজ্যতি ভট্টাচার্য রবীন্দ্রনাথের দুটি ক্ষুদ্রায়তন রচনায় বিকীর্ণ দুটি কল্যাণকামী ভাবনাকে অবলম্বন করেছেন, বিস্তার ঘটিয়েছেন অনুকূল নানা নাট্য-উপাদানে, দক্ষ হাথে তা পরিবেশন করেছেন তা সমাজ-হিতার্থে। কবির দুটি স্মরনীয় শৃষ্টি নতুন পরিবেশনায় পাঠক, দর্শক ও শ্রোতার কাছে অতি উপভোগ্য হয়ে উঠবে। কবির বাণী তাঁদের মর্মে ও কর্মে সঞ্চারিত হলে সমাজের কল্যাণ সুনিশ্চিত।

                                ঊষারঞ্জন ভট্টাচার্য
      গৌহাটী

 

This website is best viewed at 1024x768 or higher resolution with Microsoft Internet Explorer 6 or newer